হিরোশিমা ও নাগাসাকি: দুই মৃত্যুর-শহরের গল্প (৩য় পর্ব)

শাসরুদ্ধকর এক অভিজ্ঞতা সাথে নিয়ে বক্সকার কোকুরা শহরের উপর গিয়ে অবস্থান নেয়, কিন্তু সেখানের আবহাওয়ার এতটাই খারাপ ছিল যে ভারী মেঘ আর ঘন ঘন বিদ্যুৎ চমকানোর কারনে নিচের কিছুই দেখা যাচ্ছিলনা। এরই মধ্যে অন্য বিমান থেকে খবর আসে যে, জাপানি বিমান বাহিনী টের পেয়ে তাদের দিকেই এগিয়ে আসছে। এরপর সুইনি আর এক মুহূর্তও সময় নষ্ট না করে হতভাগা শহর নাগাসাকি’র দিকে ছুটে যায়!

হিরোশিমা ও নাগাসাকি: দুই মৃত্যুর-শহরের গল্প (২য় পর্ব)

মানুষের চেহারা বোঝা যাচ্ছিলনা। শরীরের চামড়া মাংস পুড়ে কালো হয়ে এক হয়ে গিয়েছিল! কারো মাথায় কোন চুল ছিলনা, আগুনের তাপে পুড়ে গিয়েছিল সব! কারো কারো হাত-পা উড়ে গিয়েছিল বা বিকৃত হয়ে বেঁকে গিয়েছিল! হঠাৎ করে দেখে বোঝা যাচ্ছিলনা যে এটা একজন মানুষের সামনের দিক না পিছনের দিক!

হিরোশিমা ও নাগাসাকি: দুই মৃত্যুর-শহরের গল্প (১ম পর্ব)

মানুষের আর্তনাদ আর চিৎকারে হিরোশিমার আকাশ ভারী হয়ে ওঠে, এখানে সেখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ঝলসে যাওয়া মানুষ গুলো শুধু পানি-পানি বলে চিৎকার করতে থাকে। পানি এনে দেয়ার মত কোন মানুষ সেখানে অবশিষ্ট ছিল না!

পৃথিবীর ইতিহাসে মর্মান্তিক যত শিল্প দূর্ঘটনা

হঠাৎ ভোর ৬টা ৩০ নাগাদ বিস্ফোরণের শব্দে পুরো কয়লা খনি কেঁপে ওঠে। সাথে সাথে কয়লার গাঢ় ধোঁয়ায় ছেয়ে যায় খনি-গর্ভ। ভেতরে থাকা শ্রমিকেরা জলন্ত কয়লার ধুলার মেঘে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে একের পর এক অচেতন হয়ে পড়তে থাকেন। উদ্ধারকর্মীরা সেখানে উপস্থিত হবার পূর্বেই প্রাণ হারায় প্রায় ১,০৯৯ জন হতভাগ্য শ্রমিক।

ইতিহাসের কুখ্যাত ১০টি জার্মানী বন্দী শিবির

নামমাত্র খাবার ও পানীয় সরবরাহ করে এসব বন্দী শিবিরের বন্দীদেরকে শ্রমিক-দাস হিসেবে কাজে লাগানো হতো। মানবেতর জীবন এবং নাৎসিদের অমানবিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে অনেকেই আলিঙ্গন করে নেন নির্মম মৃত্যুকে। আজ আমরা ইতিহাসের ১০টি কুখ্যাত কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পকে আমাদের আলোচনায় তুলে ধরবো।

ইতিহাসের মর্মান্তিক ১০ টি জাহাজডুবি

আঘাতের পর বিস্ফোরণের মাত্র ৭ মিনিটের মাথায় জাহাজটি তার যাত্রী সমেত তলিয়ে যায় সাগর তলে। কয়েকজন নিজেদেরকে ডুবে যাওয়া থেকে বাঁচাতে পারলেও বাল্টিক সাগরের হিম শীতল জল থেকে রক্ষা নিস্তার পাননি।

আটলান্টিস – পৃথিবীর বুক থেকে হারিয়ে যাওয়া একটি রহস্যময় সভ্যতা

আটলান্টিসের অস্তিত্ব ছিল আজ থেকে অন্তত প্রায় ১২ হাজার বছর আগে। সে সময়ের এ শহরটি ছিল প্রযুক্তির দিক দিয়ে এক বিস্ময়। তৎকালীন গোটা পৃথিবীর সবথেকে উন্নত রাষ্ট্র, যা গড়ে উঠেছিল অসাধারণ স্থাপত্যকলা, প্রযুক্তিবিদ্যা, মূল্যবান সম্পদ ও প্রাচূর্যের সমন্বয়ে।

ইতিহাসের ভয়ংকর ১০ মানুষখেকো

বাঘ, সিংহ! কুমির, হাঙর! এ নাম গুলো আমরা কিছুটা স্বাভাবিক ভাবে নিতে পারলেও ‘মানুষখেকো’ শব্দটা শুনলেই আমরা কেমন যেন আঁতকে উঠি! সেসব কিছু ‘মানুষখেকো’ প্রানীর কথাই আজকে জানব!

মি. বিন! – এক কিংবদন্তী কমেডিয়ানের গল্প

mr-bean

মি. বিন! আমাদের সবার অতি প্রিয় কমেডি চরিত্র। কিন্তু অসাধারন প্রতিভা আর দুর্দান্ত অভিনয় দিয়ে ফুটিয়ে তোলা এই চরিত্রের পিছনের মানুষটাকে কি আমরা চিনি? ব্যাক্তি হিসেবে তার সম্পর্কে আমারা কতটুকুই বা জানি? এবার চলুন অসাধারন এই চরিত্রের পিছনে লুকিয়ে থাকা অসাধারন আরেকটি মানুষকে নিয়ে কিছু তথ্য জেনে আসা যাক।

ইতিহাসের নিষ্ঠুর ও নৃশংস যত মৃত্যুদন্ড কার্যকরের পদ্ধতি

প্রাচীন আর মধ্যযুগের বেশিরভাগ অত্যাচারী ব্যাক্তি কিংবা শাসকই বিশ্বাস করত মৃত্যু একটি সহজ স্বাভাবিক বিচার! স্বাভাবিক মৃত্যদন্ড দেয়া মানেই আসামী বা বন্দিদের মুক্তি দিয়ে দেয়া। মৃত্যুর ভিতর দিয়ে তাদের আসলে মুক্তি ঘটে, অপরাধ করেও একপ্রকার বেঁচে যায় তারা! তাই পৃথিবীতেই আসামী বা বন্দিদের নরক যন্ত্রণা দেয়ার ব্যবস্থা করা হত।